We are available at

বিষমুক্ত খাবারই পারে আমাদের বাঁচাতে!!

We bombard the liver with toxins on daily basis:

Synthetic pesticides and herbicides,pathogens,molds,plastics,and toxic heavy metals — all carry an ionic charge that damage our bodily systems as they pass through. A healthy liver can discharge and neutralize that negative charge when toxins reach the liver. Beyond that , the liver can send out a chemical into the blood to disarm the toxins even before they arrive –a chemical undiscovered to modern medicine.If the liver can’t discharge or disarm , however,it simply stores or detains the toxins as “thrash heaps”.
Your body is not meant to store these , but the liver does what it must. The deadliest toxins like DDT and petroleum get buried the deepest until the liver has time to process them properly.
© দৈনিক আমরা যেভাবে আমাদের লিভার বা যকৃতকে নষ্ট করছি©

কৃত্রিম কীটনাশক এবং আগাছা নাশক, জীবাণুনাশক, ছত্রাকশক, প্লাস্টিক, এবং টক্সিক হেভী মেটালস —যেগুলি প্রত্যেকেই এক একটা আয়োনিক চার্জ বা ইলেকট্রিসিটি(Ionic charge) বহন করে ৷অক্সিডেটিভ ক্ষতি করার গুণ ধারণ করে৷ যখন এই সকল বিষগুলির অনু পরমানু গুলি চার্জড মলিকুল হয়ে আমাদের ব্লাড, লিম্ফাটিক বা বিভিন্ন অঙ্গের মধ্য দিয়ে পরিচারন বা পরিবহন করে , তখন প্রচন্ড পরিমাণে কোষীয়>অঙ্গীয়>তন্ত্রীয়>শারীরিক অক্সিডেটিভ ড্যামেজ করে৷

একটি সুস্থ ও সবল লিভার ঐ সকল চার্জড আয়োনিক মলিকুলগুলিকে নিউট্রালাইজ বা অক্ষতিকর বস্তূতে পরিণত করে যখন বিষগুলি পেটের অন্ত্র থেকে যকৃতে বা লিভারে পোর্টাল ভেন দিয়ে পৌঁছায়৷ তাছাড়াও, লিভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষধরণের কেমিক্যাল রক্তে নির্গমন করে যেটা বিষের পিছু নিয়ে ঐ বিষটাকে রক্তের মধ্যেই আটক ও নিউট্রালাইজ করে৷ লিভারের সক্ষমতার শেষবিন্দু পর্যন্ত কোন বিষাক্ত মলিকুল অন্যকোন কোষ বা অঙ্গের ক্ষতি করতে পারেনা৷ লিভার আপ্রাণ আমাদের দেহটাকে বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে থাকে৷ ঐ সকল অক্ষতিকর বস্তূতে পরিণত করা— বিষগুলি লিভারের লোবিউল এর মধ্যে পেরিম(Perime cell) কোষে আবর্জনার স্তূপ(Thrash Heaps) হিসাবে সন্চিত ও গচ্ছিত হতে থাকে৷

আমরা প্রতিনিয়ত খাবারের ও পাণীয়ের মাধ্যমে যে হারে বিষ খাচ্ছি—তাতে অল্প বয়সেই আমাদের পেরিম সেলগুলি লোড ও ফিল আপ হয়ে যাচ্ছে ঐ বিষগুলি দ্বারা৷ পেরিম সেলগুলি ফুল সম্পৃক্ত হয়ে গেলে হেপাটোসাইট গুলিতে ঐ বিষগুলি সন্চিত হতে থাকে৷ বিভিন্ন বায়োকেমিক্যাল ও প্রসেসিং এর জন্য নির্ধারিত এই হেপাটোসাইটগুলি বিষগুলির মাত্রাতিরিক্তে সম্পৃক্ত হতে শুরু করলেও, ঐ বিষগুলি ব্লাডে বা লিম্ফ্যাটিকসে আসার সুযোগ পায়না৷ যতক্ষণ পর্যন্ত ঐ লিভার বিষকে নিউট্রালাইজ ও ডিটেন করার ক্ষমতা রাখে—ততক্ষন বিষগুলি ব্লাডে বা লিম্ফাটিকসে আসতে পারেনা৷ যখনই হেফাটোসাইটগুলিও সম্পৃক্ত হবে—তখনই লিভার আস্তে আস্তে শক্ত হবে( consistency) ৷ লিভারের প্রধান ছয়টি কাজের পরিপূর্ণতায় ঘাটতি ও বিফলতা পরিলক্ষিত হবে৷
লিভারে হাজার হাজার কেমিক্যাল কাজ অনবরত চলছেই! এরই মধ্যে প্রধান ছ’টি কাজ হল—
১) ফ্যাট ডাইজেশন ও প্যাংক্রিয়াসকে রক্ষা করা৷
২)গ্লুগোজ স্টোর ও গ্লাইকোজেন জমা রাখা
৩)ভিটামিনস ও মিনারেলস জমা রাখা
৪) সমস্তরকম ক্ষতিকর বস্তূগুলিকে অক্ষতিকর (Disarming) ও নিজের মধ্যে আটক করা(Detaining)৷
৫)রক্তকে স্ক্রিনিং(Screening) করা এবং ফিল্টার করা(Filtering) ৷
৬)লিভার -এর নিজস্ব ইমিউনিটি দিয়ে পুরো দেহকে বিভিন্ন জীবানু বা ক্ষতিকর বস্তূ থেকে রক্ষা করা৷

ফলে, সুগার, প্রেসার, নিউরোপ্যাথিক পেইন, ভিটামিন ডেফিসিয়েন্সি ও মিনারেল ডেফিসিয়েন্সি —ফলতঃ দূর্বল ইমিউনিটি ও বিভিন্ন রোগের আক্রমন প্রভৃতি পরিলক্ষিত হবে৷

উপরন্তূ, লিভারের অনেকটাই অক্ষমতার জন্য বিষগুলি যখনই রক্তের মাধ্যমে বিভিন্ন অর্গানে ছড়িয়ে পড়বে এবং ফ্যাট এফিনিটির জন্য বিশেষকরে ব্রেনে, কিডনিতে, প্যাংক্রিয়াসে, চোখে, অন্তঃকর্ণে, নার্ভে, জয়েন্টে প্রভৃতিতে ঐ বিষগুলি জমতে শুরু করবে৷ ফলে, আনুষঙ্গিক অঙ্গ ভিত্তিক অক্সিডেটিভ ড্যামেজ হয়ে নানাবিধ শারিরীক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে শুরু করবে৷ অতএব, বুঝতে হবে—কোন ব্যাক্তির ব্রেন, হার্ট, বা কিডনির সমস্যা হয়েছে মানে তার লিভার অলরেডি দূর্বল ও স্লাগিশ৷

যতবেশী বিষ জমবে, ততবেশী খাবারের পাঁচনে আবশ্যিক বাইল এসিড গুণগত মানে ও পরিমাণে কমে যাবে৷ ফলে, ধীরে ধীরে পেটের নানাবিধ সমস্যার উৎপত্তি হবে৷ লিভারের ইকোজেনিসিটি বৃদ্ধি পাবে৷ ফ্যাটি লিভার বা সিরোসিস হবে৷ ব্লাডের ফ্যাট বাড়বে৷ ব্লাড ডেনসিটি বাড়বে৷ “ব্লাডে ফ্যাট যত বাড়বে, ব্লাডে অক্সিজেন তত কমবে৷”
“ব্লাডে অক্সিজেন যত কমবে, ব্লাডের এসিডিটি তত বাড়বে৷”
“ব্লাডের এসিডিটি যত বাড়বে, তত পাথোজেন বৃদ্ধি পাবে৷”
বিভিন্ন রকম অসুখ বিসুখে একসাথে একটা শরীরকে আষ্টেপিষ্টে ধরবে৷

অতএব, আমরা বর্তমান লাইফ স্টাইলের জন্য বিভিন্ন ক্রনিক রোগ থেকে নিজের শরীরকে রক্ষা করতে —
১) জৈব সার ব্যবহার বাড়াতে হবে চাষাবাদে৷
২) সিন্থেটিক বিষগুলি এড়িয়ে চলতে হবে ও উৎপাদন কমাতে হবে বা বন্ধ করতে হবে৷
৩)৫—১০% এর বেশী তেল ভোজন( সব মিলিয়ে দৈনিক মোট খাদ্যের মধ্যে) রাখতে হবে এবং অলিভ অয়েল, সরষে তেল প্রভৃতি হিলিং এবং গুড তেলগুলি ব্যবহার করতে হবে৷
৪)দৈনিক ২০-৪০ মিনিট এক্সারসাইজ করতে হবে৷ এতে, যে ক্যালোরি ব্যবহৃত হয় তা ব্লাড ফ্যাট৷ ফলে, উপকার হবে৷
৫)লিভার কে দৈনিক হিলিং ফুড ও ওয়াটার সাপ্লাই করতে হবে৷ প্রাকৃতিক গ্লুকোজ যেমন সকল ফল, আলু, আপেল, কলা, ভাত প্রভৃতি খেতে হবে৷ প্রোটিন বা ফ্যাট ৫—১০% বেশী খাওয়া যাবেনা৷
৬)দৈনিক লেবুজল, শশা, তরমুজ প্রভৃতি খেতে হবে৷
৭) বিষগুলি যে সকল জীবাণুগুলির ( ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) ফুয়েল হিসাবে কাজ করে—তাদের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে৷

বিষমুক্ত খাবারই লিভারকে রক্ষা করবে, এবং তৎপরবর্তী রোগগুলিকে প্রতিহত করবে৷

আসুন আমরা অকৃত্তিমতাতে মেতে উঠি—বিষাক্ত কৃত্তিমতাকে ছাপিয়ে৷

ধন্যবাদ!

Leave a Comment

Your email address will not be published.

four × five =