We are available at

ইসলামিক চিকিৎসার বৈশিষ্ট্য কী?

ইসলামিক চিকিৎসা কী ও কেনঃ

  যে কেউ অসুস্থ্য হলে যে পদ্ধতি বা বস্তূর মাধ্যমে ঐ অসুস্থতা দূরীভূত করা হয়-তাকেই চিকিৎসা বলে৷ অসুস্থ্যতা বলতে বুঝায়— দেহ,মন ও আত্মা এই তিনের যে কোন একটি অথবা দুটি বা তিনটিই -তাদের স্বাভাবিক ক্রিয়াকর্ম ও অবস্থা থেকে বিচ্যুত হলে, দেহ-মন-আত্মার প্রতি যে প্রভাব পড়ে —সেটাকেই অসুস্থতা বলে৷

  একজন মানুষের পুরো অস্তিত্বটা Soul,Heart, Spirit এই তিনের উপর নির্ভর করে৷ তিনটি জিনিষ সম্পূর্ণ ভিন্ন৷
Soul হল-একজন মানুষের কনসাসনেস বা সচেতনতা৷ এটি মস্তিষ্কে অবস্থান করে৷ এটি স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা সন্চয় করে রাখে৷ ব্রেন ইনজুরি বা ডেথ হলেও Soul এই স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাকে বহন করে নিয়ে চলে সামনের দিকে( পরকালের জীবন)৷ এই Soul তেই ‘আশা’ ও ‘বিশ্বাস’  সিন্চিত হয় যেটা মানুষকে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করে৷ আদর্শগতভাবে, এই সউল কে পরিপূর্ণ থাকতে হবে৷ কিন্তূ, জীবনের নানা জটিলতা ও উত্থান-পতনে এই Soul ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ বিভিন্ন ফিতনার মাঝে Soul বিপথগামী হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ সৃষ্টিকর্তার তৌহিদের সঙ্গে শরীকনা আনলেও এই Soul ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ Soul অস্থির ও চন্চল হয়ে উঠে৷ অশান্তির দাবানলে জ্বলতে থাকে৷
এই  ক্ষতিগ্রস্ত Soul কে ঠিক করতে সৃষ্টিকর্তার একত্বে ও সত্য জীবন ব্যবস্থাপনাতে আসতে হবে৷ ধার্মিকতার নিরিখে জীবনকে সত্যতা দিয়ে সাজিয়ে নিতে হবে৷

Heart বলতে Physical Heart কেই বুঝানো হয়েছে৷ এখানে ভালভাসা,দয়া, আনন্দ বিরাজ করে৷ Soul শুধুমাত্র সুস্থ্য থাকলে, একটা গোটা মানুষ সুস্থ্য না থাকতেও পারে৷ Heart ঘৃনা, ক্ষোভ, দুঃখ ভারাক্রান্ত থাকলে, একটা গোটা মানুষ অসুস্থ থাকবে৷
একজন মানুষের নানা কাজের দিক নির্দেশনা প্রদানে সহায়তা করে এই Heart. যখন Soul নষ্ট হয়ে যায়,তখন হার্ট মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে৷
Spirit হল—একজন মানুষের ইচ্ছাশক্তি ও দৈহিক শক্তি৷ Soul এবং Spirit এক জিনিষ নয়৷ Spirit আপনাকে চলতে, দৌড়াতে, ছুটতে সক্ষমতা প্রদান করে৷ Soul এবং Heart খুবই দূর্বল হলেও, Spirit দিয়ে মানুষ সকল কাজ করতে সক্ষম হয়৷

এই তিনটিরই অসুস্থ্যতা আসতে পারে৷
এই জন্যই আল্লাহ বলেছেন:
“তাঁদের অন্তরে অসুখ আছে এবং আল্লাহ তাঁদের অসূখ বৃদ্ধি করে দেন৷”( সূরা বাক্কারা, আয়াত নং ১০ )

এক কথায়, আত্মা, মন, ও দৈহিক সক্ষমতার স্বাভাবিক কার্যকলাপে ঘাটতি বা অসমতা দেখা দিলে-তাকে অসুস্থ্যতা বলে৷

এই অসুস্থ্যতাকে রিকোভার বা সারিয়ে তোলার জন্য যুগে যুগে মানুষের নানা অভিজ্ঞতা আর পরীক্ষা নিরিক্ষার যোগসাজসে বিভিন্ন পন্থা ও পদ্ধতি প্রচলিত হয়েছে৷
যেমন—এলোপ্যাথি, হোমিও প্যাথি, আয়ুর্বেদিক, ইউনানী, সিদ্ধা, যোগা, ন্যাচারোপ্যাথি, ফিজিওথেরাপি, চাইনিজ থেরাপি ইত্যাদি৷
রিজিওন ও রিলিজিয়ন ভিত্তিতে, কাষ্ট ও সংস্কৃতি ভিত্তিতেও নানা চিকিৎসা পদ্ধতি আছে৷

সর্বাধুনিক ও পরীক্ষিত সত্য প্রমাণ আছে এমন বিষয় ও বস্তূ দিয়ে যে চিকিৎসা পদ্ধতি —সেটাকে মডার্ণ মেডিসিন বা এলোপ্যাথি বলে৷ মডার্ণ মেডিসিন মানে শুধুমাত্র সিন্থেটিক ড্রাগ ও অপারেশন বুঝায় না৷ এর দ্বারা বৃহৎ চিকিৎসা ক্ষেত্র বুঝায়৷ যেটা দিয়ে, যেভাবে ,যখনই  কোন রোগ সারানো যাবে এবং বৈজ্ঞানিকতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ—সেটাই মডার্ণ মেডিসিন৷

এইভাবে, বিভিন্ন পথ ও পদ্ধতি চিকিৎসাজগতে আবিস্কৃত হয়েছে৷

ইসলামিক বলতে, কুরআন ও হাদিশে ঔষধি বিষয় বস্তূ ছাড়াও অন্যান্য সকল বস্তূ যেটাই হারাম বা নিষিদ্ধ নেই—সেটা ইসলামিক চিকিৎসার মধ্যে পড়ে৷ সেই অর্থে — সকল চিকিৎসা পদ্ধতি ইসলামিক যতক্ষন সেটি হারাম বা নিষিদ্ধ পদ্ধতি বা বস্তূ দিয়ে না করা হচ্ছে!

ইসলামিক মেডিসিনের 6 টি বৈশিষ্ট্য হলঃ

1) Adhering to Islamic Teachings and etiquette.
2) Adhere to logic in practicing medicines
3)Holistic approach , paying equal attention to the body , mind , soul for individuals as well as societies.
4)Universal approach-taking into account all resources and aiming to benefit all people.
5)Scientific Approach- based on logical conclusions drawn from sound observation,accurate statistics, and trustworthy experiences.
6) Excellence achieving what other kinds
of treatments has fail to achieve.

1 নং বৈশিষ্টের নিরিখে বিবেচনা করলে, আমরা মডার্ণ মেডিসিন সহ আয়ুর্বেদিক, ইউনানী, হোমিও প্রভৃতি চিকিৎসা পন্থার মূল ফাউন্ডেশন বা বিশ্বাস বা চিন্তা চেতনার যে পথ সেটা হল—
Auto-Immunity
And Gene mutation বা জেনেটিক

ভ্রান্ত বা সঠিক নয়৷

নিম্নে খেয়াল করুন: এই আর্টিকলটি পড়ুনঃ
https://asshifatrust.com/2019/11/05/auto-immunity-is-not-reality/

  ওটোইমিনিটি রিয়ালিটি ও জিন মিউটেশন রিয়ালিটি নিয়ে অন্য একদিন লিখব৷ ইনশাল্লাহ৷

Leave a Comment

Your email address will not be published.

two × 3 =