We are available at

আপনি রান্নাতে কী তেল খাবেন?

আপনি কী তেল খাবেন রান্নাতে?
ডাঃ ইয়ার আলী

হেঁসেল ঘরের অপরিহার্য সামগ্রী তেল-আমরা বিভিন্ন রান্নাতে ব্যবহার করি৷ শব্জী,মাংস,মাছ,ডাল,যে কোন তরকারী,ভাজাভূজিতে,ফ্রাই তে ব্যবহারী অতি প্রয়োজনীয় উপাদান-তেল৷ এই তেল হল ফ্যাটি এসিড৷ আমাদের যে কোন খাবারেই তিনটি মূল উপাদান থাকে —১)কার্বহাইড্রেট ২) প্রোটিন ৩) ফ্যাট
বিভিন্ন উপাদানের আধিক্যতা অনুযায়ী খাবারকে আমরা তিনভাগে ভাগ করেছি৷
যেমন—ভাত,রুটি,জব,ভূট্টা কার্বহাইড্রেট জাতীয়৷
মাছ,মাংস,ডিম প্রোটিন জাতীয় এবং বাদাম,তেল,এভোকাডো ফ্যাটজাতীয়৷

গড়ে প্রতি জন দৈনিক ৩০-৫০ গ্রাম তেল খায়৷ মাসে প্রায় ১-১.৫ কেজি৷বছরে ১২-১৫ কেজি তেল খায়৷ আমাদের ইন্ডিয়া বা বাংলাতে মানুষেরা একটু বেশীই তেল খায়৷

অতএব, আমাদের প্রত্যেক মানুষেরই জানা উচিৎ তেলের কাজ ও তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে কিছুটা প্রাথমিক জ্ঞান থাকা৷ তাই, আজকের এই লিখনি৷

তেলের কম্পজিসন দুইরকম—স্যাচুরেটেড,আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ৷
প্রত্যেক তেলের দুটি মলিকুল থাকে —একটি গ্লিসেরল,আরেকটি ফ্যাটি এসিড৷
ফ্যাটি এসিড হল একটি লম্বা চেন অব কার্বন এটম৷ এই কার্বন এটমগুলি পরস্পর অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি বন্ড দিয়ে যুক্ত থাকে৷ কিছু ক্ষেত্রে ডবল বন্ড৷ একটি বন্ড দিয়ে যুক্ত  (-C-C-)থেকে যদি ফ্যাটি এসিডটা তৈরী হয় তখন সেটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট৷ যদি ডবল বন্ড  (-C=C-) থাকে তবে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট৷

ডবল বন্ডের জন্য আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সহজেই ইলেক্ট্রন দান করে এবং H+ এর সঙ্গে বন্ড করে ৷ ফলে রক্তে,অর্গানে,ট্যিসুতে থাকা H2O2 বা বিভিন্ন অক্সিডেন্ট এটমের সাথে যেমন Hg+, Cu+,As+ প্রভৃতির সঙ্গে বান্ড তৈরী করতে পারে৷ ফলে, অক্সিডেটিড এজেন্ট বা মলিকুল বা এটমকে নিউট্রাল করার সক্ষমতা রাখে এই আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট৷ এই আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটে যত বেশী ডবল বন্ড থাকবে, তত বেশী এন্টি অক্সিড্যান্ট হিসাবে আমাদের দেহে কাজ করবে৷

স্যাচুরেটেড ফ্যাটের গলনাঙ্ক বেশী বিধায় স্বাভাবিক রুম তাপমাত্রায় কঠিন হয়ে যায় সহজেই৷ যে  কোন প্রানীর ফ্যাট যেমন—গরু,ছাগল,শুকর,মহিষের চর্বি,দুধ থেকে মাখন,চিজ,ঘি থেকে প্রাপ্ত তেল স্যাচুরেটেড৷ স্যাচুরেটেড তেলের ডবল বন্ড থাকেনা বলে এন্টি অক্সিডেন্ট প্রোপার্টি থাকেনা৷ উপরন্তূ, যে কোন ফ্যাটই লিভারকে স্ট্রেইন করে ৷ফলে স্যাচুরেটেড ফ্যাট লিভারের ডিসফাংশান আছে এমন ( সকল ক্রনিক অসুখে থাকবেই থাকবে) দেহে স্যাচুরেটেড ফ্যাট উপকারের থেকে অপকার বেশী করে৷ আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট লিভারকে স্ট্রেইন করলেও এন্টিঅক্সিড্যান্ট হিসাবে ভূমিকা রাখে বলে উপকার করে৷ যেকোন উদ্ভীজ্জ তেলে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড বেশী থাকে৷ উদ্ভীজ্জ তেল যেমন—যায়তুন,কালোজিরা,শরষে,

ফ্লাক্সসিড(মষনে),তিল,বাদাম,কর্ন,

ক্যানোলা,কর্ণ,পাম,সয়াবিন,সানফ্লোয়ার,

রাইস ব্রান,কটনসিড ,নারকেল তেল প্রভৃতি

প্রানীজ প্রোটিন সহজেই হাইড্রোজেনেটেড বা ট্রান্সফ্যাটে পরিণত হয় একটু হিট পেলেই৷ যতবেশী হাইড্রোজেনেশন হবে,ততবেশী এন্টি অক্সিড্যান্ট প্রপার্টি হারাবে৷ এবং ট্রান্সফ্যাট নিজেই অক্সিডেটিভ এজেন্ট হিসাবে বিভিন্ন কোষ ও অর্গানকে ক্ষতি করে৷ ফলে, কোন তেলকে বারবার ফুটিয়ে ভাজা বা রান্না করা খাবার দেহের জন্য বেশী ক্ষতিকর৷ বিশেষকরে, রাস্তার ধারে বা দোকানে ব্যবহৃত সাদাতেলে ( কর্ন,ক্যানোলা,সানফ্লোয়ার,পাম,রাইস ব্রান ,ডালডা প্রভৃতি) ভাজা খাবারগুলি আমাদের দেহে চরম ক্ষতি সাধন করে৷

যে কোন তেলকে একবারই ফুটিয়ে ব্যবহার উত্তম৷ সেক্ষেত্রে, আনস্যাচুরেটেড হলে আরও ভাল হয়৷ তবে, তরকারী রান্নাতে যেভাবে তেলকে সরাসরি হিটে না এনে শব্জী বা মশলাতে মিশিয়ে হিট করা হয় —তা অধিক ভাল ও ঢের ক্ষতি কম৷

আমরা যেসব তেল সচারাচর ব্যবহার করি, তার কয়েকটি নিচে বলা হলঃ

যায়তুন তেলঃ আনস্যাচুরেটেড,মনো এন্ড পলি আনস্যাচুরেটেড রিচ( মনো>পলি) , বরকত ও সর্বশ্রেষ্ঠ তেল যায়তুন তেল৷ পবিত্র কুরআনে এই যায়তুন নিয়ে সাত জায়গায় বিভিন্নভাবে আল্লাহ তা’লা উল্লেখ করেছেন৷ তাছাড়া, এই তেলে বিভিন্ন মাইক্রোমিনারেলস ও এক্টিভ মলিকুল যেমন—পটাশিয়াম,ক্যালসিয়াম,অলিওরোপিন,হাইড্রক্সিটাইরোসল আছে৷ এগুলি প্রচন্ড শক্তিধর এন্টিঅক্সিড্যান্ট, এন্টিমাইক্রোবিয়াল  এবং ওমেগা ৩,৬,৯ থাকে৷ অমেগা ৯ সবচেয়ে বেশী থাকে৷ পৃথিবীর বুকে যতধরণের তেল আছে,তারমধ্যে সবথেকে বেশী হিলিং প্রপার্টি আছে এই যায়তুন তেলে৷ তবে, শুধুমাত্র বেষ্ট কুয়ালিটির, .২-.৫% এসিডিটি সম্পন্ন এক্সট্রাভার্জিন যায়তুন তেলেই সব গুণগুলি ও লাভগুলি পাবেন৷ পমেস বা ভার্জিন কুয়ালিটি উৎকৃষ্ট নয়৷ যদি সামর্থ্য থাকে এবং প্রয়োজন হয় ,তবে শুধুমাত্র এই উৎকৃষ্ট মানের যায়তুন তেলই ব্যবহার করা অতি উত্তম৷ রান্নাতে বা স্যালাডে,ভাজাতে ব্যবহার করা অতি লাভদায়ক৷ কিন্তূ,এটি আমাদের দেশে ফলন সেরকম নেই বলে দামও খুব বেশী৷ যেহেতু,মেডিটেরিনিয়ান দেশগুলি থেকে এটি এমপোর্টেড হয় ৷
যে সকল রোগীরা বিভিন্ন ক্রনিক অসুখ যেমন লিভার,পেট,ফুসফুস,ব্রেন,কিডনি,নার্ভ,শিরা প্রভৃতির বিভিন্ন সমস্যাতে বহুদিন ধরে ভূগছেন—তাদের জন্য একটু ব্যয়বহুল হলেও যায়তুন তেল ব্যবহার অতি গুরুত্বপূর্ণ৷ সাধ্যমত ব্যবহার সীমিত করতে চাইলে অন্ততঃ রাতে বা সন্ধায় ৫-১০ মিলি বেষ্ট কুয়ালিটি যায়তুন শুধুমুখে বা মুড়িতে মাখিয়ে বা স্যালাডে ড্রেসিং করে খেতে পারেন৷ তাছাড়া, এন্টিমাইক্রোবিয়াল ও হিলিং প্রপার্টির জন্য যে কোন অল্পমাত্রার কাটা,ছেঁড়া,পোড়া বা আঘাতে যায়তুন তেল লাগালেও বা স্কিনে এপ্লাই করলেও দ্রুত হিল করে ও সেরে যায়৷ তাই, প্রত্যেক পরিবারেই কিছুটা হলেও সর্বদা,সর্বত্র বেষ্ট কুয়ালিটি যায়তুন রাখা বর্তমান কালে অতীব জরুরী৷ বাড়িতে ছোট ছোট বিপদে আপদে ফার্স্ট এইডের মত দারুন কাজ করে৷ ব্যাথা,কাটা,পুড়া,ছেঁড়া,পোঁকায় কামড়ানো, স্কিনের যে কোন সমস্যাতে, চুল মজবুত করতে যে কোন সময় ইজিলি কনফিডেন্টের সাথে ব্যবহার করা যায়৷ অন্যকোন মেডিকেশন লাগবেই না!

গত ৭ বছর ধরে পশ্চিম বঙ্গে যায়তুন তেল নিয়ে আমি ডাঃ ইয়ার আলী মানুষদের অবগত করিয়েছি ও সচেতন করেছি৷ আমি যখন মানুষদের সচেতন শুরু করেছিলাম তখন যায়তুন সম্পর্কে জানতই না! আমার লিখিত বই
” বরকতময় যায়তুন তেল”  সংগ্রহ করে এই তেলের বিস্তারিত তথ্য পড়ে নিতে পারেন৷ বইটি পেতে অনলাইন অর্ডার করুন—

https://asshifamart.com/product/zaitoon-book/

AS-SHIFA™ যায়তুন তেল শুধুমাত্র
.২-.৫% এসিডিটি সম্পন্ন বেষ্ট কুয়ালিটি এক্সট্রাভার্জিন  নিয়েই কাজ করে৷ উপরিউক্ত সকল উপকার পেতে AS-SHIFA™  এর বিকল্প বিরল৷
অনলাইন অর্ডার দিতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন—

https://asshifamart.com/product/zaituon-oil-is-ok-all-kind-of-disesse-in-humayn-body/

কালোন্জি তেলঃ
আমরা সাধারনত: রান্নাতে মশলা হিসাবে কালোজিরা অল্প পরিমাণে ব্যবহার করে থাকি৷ তথাপি, মেডিসিনাল ও থেরাপিউটিকভাবে ব্যবহার করতে চাইলে থাইমোকুইনন রিচ,মনো এন্ড পলি (পলি>মনো) আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ কালোন্জি তেল ব্যবহার খুবই লাভজনক৷ সমস্তরকম অটোইমিউন ডিজিজগুলাতে কালোন্জি তেল ভীষণ উপকারী৷ কালোন্জি তেলের মধ্যে থাকা থাইমোকুইনন শক্তিধর এন্টিক্যান্সারাস,এন্টিভাইরাল,এন্টিমাইক্রোবিয়াল৷ রান্না করতে এই তেল ব্যবহার উচিৎ নয়৷ কারণ, তাতে থাইমোকুইননের জন্য খাবার প্রচন্ড ঝাঁঝালো হবে ও খেতে পারা যাবেনা৷ অতিরিক্ত থাইমোকুইননের প্রভাবে ডায়ারিয়া বা বমি আসতে পারে৷

কালোন্জি তেলের মেডিসিনাল ব্যবহার জানতে অর্ডার করুন
” কালোন্জি
মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগের ঔষধ”
কীভাবে?
https://asshifamart.com/product/kalonji-book/

বিশুদ্ধ,কোল্ড প্রেসড্ ও রিফাইন ছাড়া , অতি লাভদায়ক কালোন্জি তেল পেতে —অর্ডার করুন

https://asshifamart.com/product/asshifa-kalonji-100ml/

শরিষার তেলঃ
GMO FREE বীজ থেকে উৎপাদিত শর্ষের তেল সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয়৷ গ্রামে গন্জে মানুষেরা এই তেলকেই বেশী ব্যবহার করে৷ কিন্তূ, শহর ও মফস্বলে বা যারা শর্ষের তেল বিভিন্ন কম্পানীর ব্রান্ডেড কিনে খান তাদের একটু সচেতন হতে হবে৷ কারণ, বাজারে প্রচলিত দাম ১১০-১৩০ টাকা প্রতি কেজি শর্ষের তেল কোনভাবেই বিশুদ্ধ হতে পারেনা৷ আপনারা একটু বুদ্ধি খাটিয়ে হিসাবটা কষে নিবেন৷ আর রিফাইন শর্ষে ভাল ও হেল্দি বলে যে ধারণা আমাদের মধ্যে আছে তা এক্বেবারেই ভূল৷ কারণ,রিফাইনিং প্রসেসে যে বায়ো,কেমো ,মেকানিক্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাতে বিভিন্ন কেমিক্যালস,হেভি মেটালস ঐ তেলে মিশ্রিত হয়ে যায়৷ উপরন্তূ, বাজারদরে ধরে রাখতে ও লস থেকে বাঁচতে শর্ষেতে কিছু কমদামী ক্যানোলা বা কেরনেল বা সয়াবিন,সাদাতেল মিশাতেই হবে৷
বিশুদ্ধতার পরিচয় পাবেন যখন তেলের ঘনত্ব ও তেলের মধ্যে খোলচূর্ণ পাবেন৷ কিছুক্ষন রাখলে তলে কিছু চূর্ণ খৈল থিতিয়ে পড়বে৷

বিশুদ্ধ শর্ষের তেলের কতকগুলি উপকার নিম্নরূপ—
*সরিষার তেলে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। সেই সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
* সরিষার তেলে থাকা ওমেগা ৩ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ৷
*সরিষার তেলে থাকা অ্যালিল আইসোথিয়োকানেট এন্টি অক্সিড্যান্ট ও এন্টিমাইক্রোবিয়াল৷
এরও হিলিং প্রপার্টি আছে,তবে যায়তুন ও কালোন্জি তেলের মত অতটা নয়৷

বিশুদ্ধ খাঁটি শর্ষের তেল প্রতি কেজি ২২০-২৫০/- নিচে আসবেই না৷

  কেউ যদি Extra Virgin Mustard Oil নিতে চান, তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন—
9547783944/9593497141

সমস্ত প্রাণীজ তেল ও মাখন,ঘি,চিজঃ
এগুলি স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ৷ সহজেই ট্রান্সফ্যাটে রূপান্তরিত হয়৷ অক্সিডেটিভ এজেন্ট হিসাবে অনেক ক্ষেত্রে দেহের বিভিন্ন কোষ ও অঙ্গকে হানি করে৷ তাই এগুলি যতটা সম্ভব মিনিমাইজ করা এমনকি না খাওয়া উচিৎ৷ বিশেষ করে, যারা বিভিন্ন ক্রনিক অসুখে ভূগছেন,তাদের অবশ্যই বাদ দেওয়া উচিৎ৷ খেলে লিভার প্রচন্ড স্ট্রেসড্ ও স্ট্রেইনড্ হয় , ফলে সকল পেটের সমস্যা,ইনফ্লামেশন,ফ্যাট মেটাবলিজমে কোলেষ্টেরল,ট্রাইগ্লিসেরাইড,এলডিএল,সুগার ইমব্যালেন্স,প্রেসার,বাত ব্যাথা প্রভৃতি বাড়বে৷

ইনফ্লামেটরি তেলঃ
* কর্ন তেল
*ক্যানোলা তেল
*সয়াবিন তেল
*সানফ্লোয়ার তেল
*কটন সিড তেল
*রাইস ব্রান তেল
*পাম তেল
*ডালডা
*কারনেল তেল
*আরও যতধরণের সাদাতেল বা রিফাইন তেল৷

প্রত্যেকটি তেলই প্রচুর ওমেগা ৩,৬,৯ আছে ৷ মনো বা পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে৷ এগুলি নিঃসন্দেহে দেহের জন্য লাভদায়ক ও উপকারী৷

কিন্তূ???
GMO করে সবগুলির বারটা বাজিয়েছে!!!

GMO সম্পর্কে সর্ট ভিডিওটি দেখুন—

https://youtu.be/fmL8os99B5w

GMO process: https://youtu.be/JtkhHIG3nx4

GMO:

As the prevalence of genetically modified organisms (GMOs) continues to rise, there has been an increasing public interest for information concerning the safety of these products. Concerns generally focus on how the GMO may affect the environment or how it may affect the consumer. One specific concern is the possibility for GMOs to negatively affect human health. This could result from differences in nutritional content, allergic response, or undesired side effects such as toxicity, organ damage, or gene transfer. To address these concerns, there have been over 100 research studies comparing the effects of traditional food to genetically modified food, the results of which have been reviewed in various journals [1], [2]. How these results affect regulation can be found through The Center for Environmental Risk Assessment, which hosts a GM Crop Database that can be searched by the public to find GMO crop history, style of modification, and regulation across the world [3]. Though knowing who to trust and what to believe regarding this topic is an ongoing battle, major health groups, including the American Medical Association and World Health Organization, have concluded from the research of independent groups worldwide that genetically modified foods are safe for consumers [4]. Regarding toxicity, this includes any dangers related to organ health, mutations, pregnancy and offspring, and potential for transfer of genes to the consumer.

GMO কী?

A GMO, or genetically modified organism, is a plant, animal, microorganism or other organism whose genetic makeup has been modified in a laboratory using genetic engineering or transgenic technology. This creates combinations of plant, animal, bacterial and virus genes that do not occur in nature or through traditional crossbreeding methods.

Genetic modification affects many of the products we consume on a daily basis.

যে কোন গাছের বীজকে জেনেটিক্যালি পরিবর্তন করতে গিয়ে যে ভাইরাস,ব্যাকটিরিয়া বা বাইরে থেকে জেনেটিক কোড ইমপ্লান্ট করা হয়,তাতে বীজটির মধ্যে ইনফ্লামেটরি রিয়েজেন্ট তৈরী হয়৷ কিছু প্রসেসড্ মেটেরিয়ালস হেভি মেটালস থাকেই৷ ঐ GMO বীজ থেকে উৎপাদিত গাছকে শক্তাশালী পেষ্টিসাইড,হার্বিসাইড বা ফাঙ্গিসাইড দিয়ে চাষ করতে হয়৷ হেভি মেটালস সমৃদ্ধ ঐ বিষগুলি উৎপাদিত GMO বীজে বেশী থাকে৷ ঐ বীজ থেকে নিষ্কাষিত তেল প্রচন্ড ইনফ্লামেটরি হয়৷ কোন ব্যক্তি যে কোন অটোইমিনিটি ও জেনেটিক নামে পরিচিত অসুখে ভূগছেন বহুদিন ধরে,তাদের দেহে ঐ তেল ঢুকলেই অসুখগুলি বৃদ্ধি পাবেই৷ কারণ, প্রত্যেক ক্রনিক ও দীর্ঘমেয়াদী অসুখের পিছনে অবশ্যই কোন না কোন প্যাথোজেন,হেভি মেটালস ইটিওলোজি হিসাবে থাকবেই৷ বডির মধ্যে কোন ইনফ্লামেশন আপনা আপনি কক্ষনই হবেনা৷ যত ধরণের ইনফ্লামেশন হয় তাতে ৫ টি লক্ষণ থাকবেই৷
*ব্যাথা*ফোলা*লালভাব বা রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি ও শিরা পাতলা হওয়া*হিট বা গরম হওয়া*অকেজো হওয়া বা ডিসফাংশনাল হওয়া৷
যেমন—কোথাও পিঁপড়ে কাঁমড়ালে ঠিক ঠিক পরপর যে ঘটনাগুলি ঘটে৷

আমাদের দেহের মধ্যে বিভিন্ন অর্গানে ইনফ্লামেশন হলেও ঐ একই ভাবে পরপর ঘটনাগুলি ঘটবে৷ যদি ঐ অর্গানে নার্ভ সাপ্লাই না থাকে,তবে ব্যাথাটা অনুভব করবেনা৷ কিন্তূ সবগুলি সমস্যাই ঐ অর্গানে তৈরী হবে৷ ফলে, দেহে বা ঐ অর্গান স্পেসিফিক নানাবিধ সমস্যা মাত্রানুযায়ী অনুভব করবে ৷ রোগী কষ্ট পাবে৷  ইন্টারনালি এই ইনফ্লামেশন অটোমেটিক হয়না,বরং কেউ করে৷ সেটা যে বা যা কিছুই হোকনা কেন৷ অতএব, অটোইমিনিটি একটি থিসিস! নট রিয়াল ফ্যাক্ট৷

এই GMO তেলগুলি পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও ,যেহেতু GMO ,ফলে বডির ইন্টারনাল অর্গান লিভার,ইনটেষ্টিন,সিকাম,কোলন,প্যাংক্রিয়াস,পিত্তথলি,কিডনি,ব্রেন,মাশল,নার্ভ প্রভৃতিতে বিদ্যমান বিভিন্ন প্যাথোজেন বিশেষ করে EBV,HERPES,SHINGLES,SMV,HHV,STREPTOCOCCI, প্রভৃতি পুষ্ট হয় ও সংখ্যা বৃদ্ধি করে,শক্তিশালী হয়ে ইনফ্লামেশন আরও বৃদ্ধি করে৷ উপরন্তূ হেভি মেটালস নিজেই অক্সিড্যান্ট এবং প্যাথোজেনকে ফিড করে ,ফলে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়৷ ইনফ্লামেশন আরও বৃদ্ধি পায়৷

এই সব সাদাতেলের মধ্যে থাকা ওমেগা৩,৬,৯ এর উপকারের তুলনায় ক্ষতি বহুগুণে বেশী করে৷ উপরন্তূ, কর্ণ ও ক্যানোলা অয়েল নিজেই এত ইনফ্লামেটরি যে বিভিন্ন লুমিনাল বডি স্ট্রাকচার যেমন গাট,শিরা,ধমনী,শ্বাসনালী প্রভৃতির ইনার লেয়ার এপিথেলিয়ামকে ধ্বংশ করে৷

তাই, যারাই অসুস্থ তাদের কোনভাবেই এই সব GMO তেলগুলি খাওয়া উচিৎ হবেনা৷ বরং অসুস্থতার হাত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে সুস্থ লোকেদেরও উচিৎ ঐ সব GMO সাদাতেল না খাওয়া৷

যদি GMO ফ্রি genuinely হয়, তবে খেতে অসুবিধা নেই৷ কিন্তূ, GMO FREE পাওয়া বর্তমানে অসম্ভব!!

তাই, আমাদের প্রত্যেক পরিবারের অবশ্যই রান্নাঘরে, সেল্ফে কী তেল থাকবে—সেটা এখনই চিন্তাভাবনা করতে হবে৷ যেহেতু, প্রতি বছরে প্রত্যেকটা লোক প্রায় ১০-১৫ কেজি তেল খায়!

ধন্যবাদ৷

লিখনে —Dr. Year Ali

Follow and Subscribe- My Youtube Channel :

” Holistic Health & Cure ”

https://youtu.be/L0zBfiTBUzw

Leave a Comment

Your email address will not be published.

two × 4 =