রক্তের গাঢ়ত্ব বেশী হলে ক্ষতি কী?

রক্তের বিষাক্ততা তৈরীতে ভূমিকা পালনকারী বস্তূগুলি হল—
১) রক্তের চর্বি যা খাদ্যের মাধ্যমে গৃহিত ফ্যাট,প্রোটিনের সাথে সরাসরি সমানুপাতিকহারে সম্পর্কিত৷
২) খাদ্য ও পাণীয়ের মাধ্যমে গৃহিত বিভিন্নপ্রকার ও বিভিন্নরূপে হেভি মেটালস,Old DDT,chemical fertisers,inorganic toxic chemicals
৩) দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রসাধনী দ্রব্যের মাধ্যমে ব্লাডে শোষিত ( স্কিন দিয়ে) ক্ষতিকর কেমিক্যালস৷
৪)আর্টিফিসিয়াল কালার,পেইন্টস,সেন্টস ও ফ্লেভারে ব্যবহৃত কেমিক্যালস৷
৫)পোষাকের মাধ্যমে বিভিন্ন ফাঙ্গিসাইডস,ডিটারজেন্ট কেমিক্যালস৷
৬)প্লাষ্টিক
৭) বাতাসের অগনিত পেট্রকেমিক্যালস ও তার বাইপ্রোডাক্টস৷
৮) বিভিন্ন জীবাণু ও তার মৃতদেহ,বাইপ্রোডাক্ট,ওয়েষ্ট প্রোডাক্টস৷
৯) রেডিয়েশন ও তার রেডিয়েটিং পার্টিকলস৷
১০) ফার্মাসিউটিক্যাল রেসিডিউ৷
১১) বায়োএক্টিভ ওয়াটার ( ফ্রুট,ভেজেটেবল জ্যুস) কম পাণ করা৷
১২) অতিরিক্ত ও অনবরত স্ট্রেস৷

প্রভৃতি৷

রক্ত বিষাক্ত অর্থাৎ রক্তে থাকা উচিৎ নয় এমন বস্তূগুলি বিরাজ করছে৷ স্বভাবতই রক্তের গাঢ়ত্ব বা ভিসকোসিটি বাড়বে৷ রক্তের ভিসকোসিটি বাড়লে রক্তে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেশন কমে যাবে৷ যদি কোন ব্যক্তি অনেক উঁচুতে উঠেন (High altitude),তবে উনার BLOOD OXYGEN কমবে৷আর এই ঘাটতি অক্সিজেন পূরণ করতে প্রচুর লোহিত রক্তকণিকা লাগবে৷ এরিথ্রোপয়েটিন বেশী বেশী তৈরী হবে যদি রক্তের অক্সিজেন কমে যায়৷ ফলে PCV /ESR বা রক্তের ঘনত্ব বাড়ে৷  অর্থাৎ রক্তের অক্সিজেনের সম্পর্ক রক্তের ঘনত্বের সাথে ব্যস্তানুপাতিক৷

রক্তে অক্সিজেন কমে গেলে প্রতিটা অর্গান হাইপোক্সিয়াতে ভুগবে৷ বিশেষকরে,লিভার খুব ভুগবে৷ ফলে লিভারের সর্বপ্রকারের অসংখ্য কাজগুলির প্রত্যেকটি অপর্যাপ্ত হয়ে পড়বে৷

আবার, লিম্ফাটিক ফ্লো কমে যাবে৷ ফলে ওয়েষ্ট ড্রেনেজ কমে গিয়ে পা বেশী ফুলবে৷ ওজন বাড়বে৷ লিভার ঐ ফ্যাটকে নিজের অন্দরে জমা করতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়বে যাতে অন্যান্য অর্গান হাইপোক্সিয়াতে না ভুগে৷ লিভার ধীরে ধীরে ফ্যাটি হয়ে পড়বে৷ লিভারের কার্যক্ষমতা আরও হারাবে৷ পর্যায়ক্রমে, প্রেসার সুগার গ্যাস কষ্ঠ্যোকাঠিন্য ওবেসিটি ফ্যাটিগ এনার্জি ইস্যু ইত্যাদি চলে আসবে৷ বাত ব্যাথা, নার্ভের সমস্যা ঘুমের সমস্যা – ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যা চলে আসবে৷ গাঢ় রক্তে অক্সিজেন কম থাকলে বিভিন্ন জীবাণুর শক্তি ও সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে৷ ফোঁড়া,ব্রন,দাদ প্রভৃতি বৃদ্ধি পাবে৷ রক্ত গাঢ় যত বেশী হবে ধমনী ও শিরাতে প্রবাহমানতা কমে যাবে৷ রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বেড়ে যাবে৷ থ্রম্বোসিস,ইশ্চিমিয়া বেড়ে যাবে৷ হার্ট এট্যাক,ব্রেন স্ট্রোক বেড়ে যাবে৷হেয়ার ফলিকলে হাইপোক্সিয়া হলে চুল ঝরে পড়বে,টাক হবে৷ আরও কত কি!!!!

অতএব, রক্তের গাঢ়ত্ব একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ সমস্যা৷

এই গাঢ় রক্তকে পাতলা করতে  উপরিউক্ত সবগুলি কারণ মডিফিকেশন,এরাডিকেশন যেমন প্রয়োজন,তেমনি আরেকটি খুবই ভাইটাল থেরাপি প্রয়োজন৷ আর সেটা হল—
#হিজামা (RWCT)

মানবতার মুক্তির দূত নবী কারিম মুহম্মদ (সঃ) বলেছেন—

” তোমরা তোমাদের রক্তকে গাঢ় হতে দিওনা,কারণ গাঢ় রক্ত তোমাদের মেরে ফেলবে৷ গাঢ় রক্ত থেকে বাঁচতে তোমরা চন্দ্রমাসের ১৭,১৯,২১ তারিখ হিজামা করবে৷”  (সুনান ইবনে মাজাহ)

হিজামা এক্সপার্ট ও গবেষক টিমে ও পেজে আসতে লাইক করুন ও আরও বিস্তারিত জানুন নিচের লিঙ্কগুলিতে——

https://asshifatrust.com/hijama-or-rwct/

https://asshifatrust.com/product/hijama/

# https://www.facebook.com/hijamainbengal/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *