Hijama or RWCT

Hijama or RWCT

 

HOLISTIC APPROACH, HOLISTIC TREATMENT, HOLISTIC CARE, TOTAL CURE

HOLISTIC TREATMENT: Whether you are suffering from an illness or simply want to enhance your current state of wellness, our primary goal is to maximize your ability to reach optimal vitality and health. We understand that a powerful connection links the mind, body sprit, and community to health and disease. We believe the human mind and body have essential capacities of self-repair that can be supported and enhanced by appropriate conventional as well as complementary therapies.

Believe it or not,

♦ Our body does not attack itself by Own.

♦ Our body has immense healing capacities by Own.


হিজামা নিয়ে কিছু জরুরী কথা:—

আমি ডাঃ ইয়ার আলী , হিজামা নিয়ে প্রথম যখন জানতে পারি তখন আমি MBBS পাশ করে সবে ১ বছর হল প্রাইভেট প্রাকটিস করছি৷ আল্লাহ নির্ধারিত ভাগ্যের ফয়সলায় ( পারিবারিক ও অর্থনৈতিক) নিজেকে MBBS পাশ করেই বসে রাখতে পারিনি৷ প্রাইভেট প্রাকটিস ও ধর্মীয় ( ইসলাম) চিকিৎসা বা প্রফেটিক মেডিসিন নিয়ে অধ্যয়ণ করতে থাকি৷ বিভিন্ন রোগ ব্যাধি ও বিপদ থেকে বাঁচতে প্রতিরোধমূলক দৈনন্দিন জীবণের কিছু কিছু অবহেলিত অথচ গুরুত্বপূর্ণ শরীয়তি নিয়ম কানুন আছে৷ চিকিৎসা সম্পর্কীয় বিভিন্ন হাদিসগুলির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও অধ্যায়ণে মননিবেশ করি৷ তখনই, হিজামা শব্দটার সাথে প্রথম পরিচয়৷ সহিহ বুখারীর হাদিস— “সর্বোত্তম চিকিৎসা হিজামা ”

আমি অবাক হয়ে যায়!!! সর্বোত্তম চিকিৎসা?? তাও আবার আধুনিক মডার্ণ চিকিৎসা কে ছাপিয়ে???

ইসলাম জীবনের সকল সমস্যার সমাধান; স্বাস্থ্য সমস্যার জন্যও ??

বহু কৌতূহলী জিজ্ঞাসা নিয়ে হিজামা নিয়ে নাড়াচড়া শুরু করলাম ৷ তখন ২০১৩ সাল এর শেষের দিকে, ২০১৪ সালের প্রথম দিকে৷

সেই সময়, পশ্চিমবঙ্গে হিজামা নিয়ে কেউই জানতনা বা বুঝতনা৷ গুগলে ও বিভিন্ন পাঠ্যবই সংগ্রহ করে, তথ্যসমৃদ্ধ আলোচনা শুরু করি৷ চেম্বারে বিভিন্ন জটিল ও ব্যাথার রোগে হিজামাকে প্রয়োগ করতে শুরু করি৷ এন্টিসেপটিক প্রেকশন ও ফিজিওলোজিক্যাল, এনাটমিক্যাল নলেজ থাকাতে আমি সহজেই হিজামাকে বাস্তবিক প্রয়োগ করতে সমর্থ হই৷ অনেক রোগী একবার হিজামাতে সেরে উঠেন৷ আবার কিছু রোগীকে ২-৩ বারও করতে হয়৷ কিছু কিছু রোগী পুণঃরায় ব্যাথার রোগে আক্রান্ত হন৷ এইভাবে, নানারকম অভিজ্ঞতা আর প্রয়োগ হতে থাকে৷

হিজামা বিষয়ক বিভিন্ন বই এ একুপাংচার ও মেরিডিয়ান সিষ্টেমকে মেনে হিজামা পয়েন্ট ঠিক করার জন্য নির্দেশ দেয়৷ কিন্তূ, বাস্তবে সেই পয়েন্টভিত্তিতে হিজামা খুব ফলপ্রসূ হয় না৷ হিজামা কে চাইনিজ ট্রাডিশনাল মেডিসিন এর দর্শনের সাথে মিলাতে গিয়ে আমি পর্যুদস্ত হয়ে যায়৷ বাস্তবিকই, হিজামা এর কাজ করার পদ্ধতি ভিন্ন৷

নতুনভাবে, বিভিন্ন রোগ বিশেষকরে ক্রনিক ও জটিল রোগগুলি কেন ও কীভাবে এত বিস্তৃত হচ্ছে? সেটা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে অটোইমিউনিটি ও জেনেটিক থিওরিকে ভ্রান্ত মনে হল!! শুরু হল— আরও গভীর ও গভীর গবেষণা৷

কুরআনের বিভিন্ন আয়াত (মানব সৃষ্টি সম্পর্কীয়) এর ভাষ্য ও বুঝ, অটোইমিউনিটি ও জেনেটিক তত্বের বুঝ পরস্পর সাংঘর্ষিক !! বিধায়, বর্তমানের অসংখ্য রোগ যেগুলি হওয়ার জন্য অটোইমিউনিটি ও জেনেটিক কারণকে দর্শানো হত— সেগুলির প্রকৃত কারণ উদ্ভাবনে শুরু হল আরও গবেষণা৷

আলহামদুলিল্লাহ!! ২০১৮ সালের দিকে সেই সন্ধান পেলাম — নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বেষ্ট সেলিং বুক মেডিক্যাল সিরিজ এ৷

বিভিন্ন বাত ব্যাথা, দূরারোগ্য ব্যাধি কীভাবে ও কেন হচ্ছে—তার অভূতপূর্ব উপস্থাপনা ও বাস্তবিকতা আমার হৃদয়কে নাড়িয়ে দেয়৷

সেই প্রকৃত কারণ এক বা একাধিক জীবাণু (EBV) এবং এই ভাইরাসটি কোন কোন স্টেজে , কোন কোন ট্রিগার ফ্যাক্টরে বৃদ্ধি পেয়ে কী কী শারীরিক সমস্যা তৈরী করছে—তার পরিপূর্ণ বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা পেয়ে গেলাম৷ যেটা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ছাত্র ও ডাক্তার হয়ে এতদিন শুন্যতা অনূভব করতাম৷ এই শূন্যতা এখনও ৯৯% ডাক্তারদের মধ্যে বিরাজ করছে!!

আপনার ডিমেনসিয়া, এলজিমারস ডিজিজ, পারকিনসন্স ডিজিজ, অটিজম, ইনসমনিয়া, ডিপ্রেসন, পিটিএসডি, এন্জাইটি, সাইনুসাইটিস, মাইগ্রেন, ক্রনিক টনসিলাইটিস, এজমা, ব্রঙ্কাইটিস, এলার্জি, কোল্ড, রাইনোরিয়া, ডিসপেপসিয়া, লিভার ডিজিজ, বিভিন্ন বাত, যন্ত্রনা প্রভৃতি সকল জটিল ও ক্রনিক অসুখগুলি কীভাবে ও কেন ডেভেলপ করছে— তা আধুনিক বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করতে পারেনি৷ সমস্ত সিম্পটমসের সঠিক ব্যাখ্যা ও উত্তর দিতে পারেনি৷ কিন্তূ, ম্যানেজমেন্টটা কিছুটা করে রোগীকে কিছুটা সুস্থতা ও শান্তি দিতে পারলেও, রোগ থেকে রোগীকে মুক্ত করতে পারেনি৷ ফলে, সময়ের বিবর্তন ও চক্রে রোগ ও রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে— অথচ আমরা সবাই অবাক!!!

আমাদের বর্তমান জীবন ব্যবস্থার উন্নতিতে আমূল পরিবর্তনকারী সবুজ বিপ্লবের অতিরিক্ত DDT, Pesticides, Fungicides, Chemical Fertilisers এর ব্যবহার, GMO এর ব্যবহার এবং শিল্প বিপ্লবের বায়ু, জল ও মাটি দূষণে( waste materials, CO,CO2, NO, SO2 প্রভৃতি) — সর্বোপরি ব্যাপক রেডিয়েশনের ব্যবহার ও প্রচলন বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে জীবাণুটিকে শক্তিশালী ও প্রলিফারেশনে সহায়তা করে৷ জীবাণুটিকে এক একটি ধাপ অতিক্রম করে একটি একটি সমস্যা বা সিম্পটমস তৈরী করতে সাহায্য করে৷

উপরন্তূ, মানব জীবনের কিছু বদ অভ্যাস ( রাত জাগা, ফলাহারে অনীহা ও ভীতি, ডিহাইড্রেশন, স্ট্রেস, অতিরিক্ত কর্ম ব্যস্ততা প্রভৃতি) ঔ জীবাণুকে আরও শক্তিশালী করে তুলে, দূর্বল ইমিউনিটির বিরুদ্ধে৷

ফলে, বয়ঃবৃদ্ধির সাথে সাথে রোগীর রোগ একটার পর একটা বাড়তে থাকে৷ জীবনের ৫০-৬০ বছর বয়সে বা তার আগেই, একই রোগীর শ্বাসকষ্ট, গ্যাস ও কষ্ঠৌকাঠিন্যতা, থাইরয়েড, সুগার, প্রেসার, জয়েন্টে বা হাঁটু ব্যাথা, ঘূমের সমস্যা প্রভৃতি একসঙ্গে পরিলক্ষিত হচ্ছে৷

সবুজ বিপ্লবের ফলে Mercury,Copper, Arsenic,Aluminium,Nickel প্রভৃতি হেভি মেটাল গুলি খাদ্যের মধ্য দিয়ে মানব দেহে ঢুকছে— লিভারে জমছে— EBV এর ফুয়েল বা খাদ্য হিসাবে কাজ করে EBV কে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করছে৷ EBV এর বাই প্রোডাক্ট, ডেড ভাইরাস, নিউরো বা ডার্মাটোটক্সিন লিম্ফাটিক ও রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে শরীরের নানা জায়গায় নানা সমস্যা তৈরী করছে৷

শিল্প বিপ্লবের ও রেডিয়শনের প্রভাবে টক্সিসিটি বৃদ্ধি ও ইমিউনিটি ভঙ্গূর হয়ে যাওয়া — প্রভৃতি কারণে বিভিন্ন ক্রনিক রোগের বৃদ্ধি৷

(*** সংক্ষিপ্তাকারে ধারণা দেওয়া হল৷ প্রকৃত কারণ ও কীভাবে অসুখ হচ্ছে—এর বৃহৎ ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখানে লিখা সম্ভব নয়)

হিজামা এর মূল কাজ হল— নেগেটিভ প্রেসার ক্রিয়েট করে ব্যাথার জায়গা থেকে ডেড,লিভ ভাইরাস, ভাইরাস বাই প্রোডাক্ট, নিউরো বা ডার্মাটোটক্সিন বা ক্যামিক্যাল মেডিয়েটর নিষ্কাষিত করা৷ কো ল্যাটারাল ব্লাড ভেসেল ও লিম্ফাটিক চ্যানেল অপেন করা৷ ক্লগড্ ভেসেল বা লিম্ফাটিক অপেন আপ করে সচল করা৷
ফলে, ঐ অন্চলের বা স্পটের ব্যাথা সৃষ্টিকারী সকল কারণ রিমূভ করা৷ একুপাংচার বা মেরিডিয়ান পদ্ধতিতে Qi খুলার পদ্ধতি স্পষ্ট নয়৷

এই ভাবেই সকল জয়েন্টের বা মাংসপেশীর ব্যাথা কমে হিজামাতে৷ রোগীর রোগটা কোন স্টেজে আছে—তার উপর ডিপেন্ড করছে হিজামা একবার করতে হবে ,না আরও করতে হবে?
সিষ্টেমএ ঔ জীবানু ও বিষগুলির মাত্রা ও শক্তি অনুযায়ী হিজামার কার্যকারিতা পরিলক্ষিত হবে৷ যার যত কম মাত্রা ও শক্তি হবে, তার তত সময় কম লাগবে৷

আজ, হিজামার চূড়ান্ত কার্যকারিতা ও ফলাফল পরিলক্ষিত হচ্ছে৷ হাদিসের সত্য কথা সত্যায়িত হচ্ছে৷ আলহামদুলিল্লাহ৷

হিজামার প্রচার ও প্রসার হয়েছে, অনেক ব্যক্তি হিজামা করছে৷ অনেকেই জেনেছে, বুঝেছে৷ আলহামদুলিল্লাহ৷ ( আমি এটাই আল্লাহর কাছে— ২০১৪ সালের দিকে ,হিজামার প্রথম পদক্ষেপে, চেয়েছিলাম)

তবে, হিজামার প্রকৃত বিজ্ঞান ও দক্ষতা যে ব্যাক্তির নাই, তাকে অনুরোধ করব— হিজামাটাকে বৈজ্ঞানিকভাবে জানতে, বুঝতে ও সঠিক পন্থায় প্রয়োগ করতে৷

Hijama Therapy & its Science

Go to link: www.hijamacups.com

♦ All microorganisms like virus, dead virus, corpses, viral by products, heavy metals like. Hg, Al, As, Cu; pesticides, synthetic medicational metabolites, blood fats, deformed blood cells; i.e. all toxic materials in blood can be extracted by Hijama. How these toxin cause many illness and pain will be collaborated next time in a book insa-allah.

♦ Now-a-day, every 9 out of 10 people are being affected by these harmful substances in life or since fetus-hood.

keep eye always on update about scientific Hijama on following link page:

https://www.facebook.com/hijamainbengal/

Read thoroughly following file about true history of Hijama in West Bengal .

হিজামা নিয়ে গবেষণাগুলি পড়তে ক্লিক করুন

 

হিজামা সম্পর্কীয় বিভিন্ন সহিহ হাদিসগুলি নিম্নরূপঃ

হিজামা কি?
—–*—–
হিজামা হল এমন একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে শিঙ্গা বা আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে রক্তকণিকার মন্দ প্রবাহ বের করে রোগীকে সুস্থতা দেয়া হয়। যাকে বাংলায় শিঙ্গা লাগানো এবং ইংরেজিতে Cupping therapy বলা হয়। এতে মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা বিদ্যমান রয়েছে।
হিজামার পদ্ধতি
——*——-
শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশ থেকে মেশিনের সাহায্যে অথবা শিঙ্গার সাহায্যে রক্ত চুষে নেয়া বা বের করে ফেলা। এর দ্বারা ভেতরের দূষিত রক্ত দূর হয়ে যায়। যার ফলে মানুষ প্রশান্তি অনুভব করে।
কেন হিজামা করাবেন?
———*———-
আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান, তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার রোগের জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকে ইনশাআল্লাহ মুক্তি পাবেন এবং রাসূল সাঃ-এর একটি সুন্নাত চিকিৎসাপদ্ধতির উপরও আমল করা হলো।
হিজামা সংক্রান্ত হাদীস :
———*———-
★ হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জিবরীল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে, “মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তম্মধ্যে হিজামাই হল সর্বোত্তম।”
–মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদীস নম্বর : ৭৪৭০
★ হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে। রক্তচাপের কারণে যেন তোমাদের কারো মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।”
–সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নম্বর : ৩৪৮৬
★ হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছেন, হে মুহাম্মদ! আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।” –সুনানে তিরমিযী, হাদীস নম্বর : ২০৫৩
★ হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ, কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে।”
–মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদীস নম্বর : ৭৪৮২
★ হযরত জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়  হিজামায় শেফা রয়েছে।” সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর : ২২০৫
★ হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বোধ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।”
–সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নম্বর : ৩৪৮৭
★ হযরত আবদুল্লাহ্ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হিজামাকারী কতইনা উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।”
–সুনানে তিরমিযী, হাদীছ নম্বর : ২০৫৩
হিজামা (শিঙ্গা/CUPPING)-এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে :
—————–*–­—————–
★ মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
★ রক্তদূষণ
★ উচ্চরক্তচাপ
★ ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
★ স্মৃতিভ্রষ্টতা (perkinson’s disease)
★ অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
★ ব্যাক পেইন
★ হাঁটু ব্যাথা
★ দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
★ ঘাড়ে ব্যাথা
★ কোমর ব্যাথা
★ পায়ে ব্যাথা
★ মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain)
★ দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
★ হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
★ থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
★ সাইনোসাইটিস
★ হাঁপানি (asthma)
★ হৃদরোগ (Cardiac Disease)
★ রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
★ টনসিল
★ দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
★ গ্যাস্ট্রিক পেইন
★ মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
★ দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses)
★ ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
★ ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
★ ডায়াবেটিস (Diabetes)
★ ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
★ চুল পড়া (Hair fall)
★ মানসিক সমস্যা (Psycological disorder)…সহ আরও অনেক রোগ।
আরব দেশসমূহ এবং ভারত ও পাকিস্তানে হিজামার বহুল প্রচলন থাকলেও আমাদের দেশে হিজামা/শিঙ্গা লাগানোর খুব একটা প্রচলন নেই। জাপান, আমেরিকা, চীনেও আধুনিক পদ্ধতিতে হিজামা/শিঙ্গা/­cupping চিকিৎসা গ্রহণ করা হচ্ছে।
রাসূল সাঃ -এর যুগে এই চিকিৎসা খুব বেশী প্রচলিত ছিলো। রাসূল সাঃ একদিন ঘোড়া থেকে পড়ে গিয়ে সাথে সাথে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে হিজামা করিয়েছেন। যেহেতু আল্লাহ তায়ালার রাসূল হিজামা নিজে করেছেন এবং অন্যদের করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন, তাহলে নিশ্চয়ই এর মধ্যে বহু উপকার রয়েছে। যার কিছু বর্ণনা উপরে পেশ করা হয়েছে।
তাই হিজামা করুন, অন্যকে করতে উৎসাহ দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাত-চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে উপকৃত হোন।

 

You can download it for your knowledge.

https://drive.google.com/file/d/0B2vTm3TWEakEUVJxVFJTZWsyWlJ3Y3lPSWg3VGE1bTF5dTBj/view?usp=drivesdk